1. admin@kbtvnews24.com : admin :
রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০২:১৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বটিয়াঘাটা সার্ব রেজিস্ট্রার এর কার্যালয় সঠিক দলিল নিয়ে গেলেও সার্ব রেজিস্ট্রার অনজু ঘোষ প্যাচমারে টাকা খাওয়ার জন্য আর টাকা না খেতে পারলে দিনের পর দিন ঘুরায় নাকে দড়ি দিয়ে এবং তাঁর অফিসে সরাসরি ঘুষ লেনদেন হয়। যেমন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত গাঙচিল সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদ বটিয়াঘাটা উপজেলার পুরানো কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় নতুন কমিটি গঠনকল্পে এক সভা গতকাল শনিবার বেলা ১১ টায় বটিয়াঘাটা প্রেসক্লাব ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। অধ্যাপক এনায়েত আলী পলাশে দলীয় পরিচয় দিয়ে অমিত মোস্তফা খাঁন এর জমি জবর দখলের এবং কাঠাল গাছ কাটার অভিযোগ মোঃ মুক্তাদির হোসেন, কালিগঞ্জ প্রতিনিধী।  গাজীপুর জেলা শ্রীপুর থানা পুলিশের অভিযানে ৭৭৯০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ০১জন আসামী গ্রেফতারের ঘটনায় মামলা দায়ের খুলনায় মফস্বল প্রেসক্লাবের মতবিনিময় সভায় যাচাই-বাছাই শেষে ১১ নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের ২৩লাখ টাকার অনুদান বিতরণ কালীগঞ্জে তোফাজ্জল ডাক্তারের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন তুমুলিয়া প্রিমিয়াম লীগ ফুটবল টিপি এস,( সিজন ৩) টুনামেন্টপর উদ্ভোদন অনুষ্ঠিত নড়াইলের লোহাগড়ায় জাল দলিলে নামজারি ভূমি অফিসের নায়েবদের ভয়াবহ জালিয়াতি

জয়পুরহাটে শিশু হত্যা মামলায় ২৮ বছর পর দুই আসামির গ্রেপ্তার**

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৪ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৬৬ বার পঠিত

জয়পুরহাটে শিশু হত্যা মামলায় ২৮ বছর পর দুই আসামির গ্রেপ্তার**

জয়পুরহাট প্রতিনিধি:
জয়পুরহাটের পাঁচবিবি থানায় দায়ের হওয়া ১৯৯৭ সালের একটি শিশু হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামিকে দীর্ঘ ২৮ বছর পর বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার হওয়া আসামিরা হলেন চাটখুর (রায়গ্রাম) এলাকার মাজেদ আলী (পিতা: ফজের আলী) ও আব্দুল ওয়াহেদ (পিতা: খয়বর আলী)। তারা দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন।

ঘটনার পেছনের ভয়াবহতা
১৯৯৭ সালে জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার চাটখুর (রায়গ্রাম) গ্রামে এক শিশুকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। পরে শিশুটির মরদেহ একটি বস্তায় ভরে একটি পুকুরে ফেলে রাখা হয়। ঘটনাটি এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।

এ ঘটনায় পাঁচবিবি থানায় হত্যা মামলা দায়ের হয়, যার নম্বর ছিল ৬/৯৭। তদন্ত শেষে আদালত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ঘোষণা করেন। তবে রায় ঘোষণার পর থেকেই তারা পলাতক ছিলেন।

পাঁচবিবি থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই মোঃ সোহেল রানা) দীর্ঘ অনুসন্ধান ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করেন। এরপর তাঁর নেতৃত্বে গাজীপুরের শ্রীপুর ও গাছা থানা এবং ঢাকার হাজারীবাগ থানা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

পাঁচবিবি থানার এক কর্মকর্তা জানান, “আসামিরা দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিল। তবে প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে আমরা তাদের অবস্থান নিশ্চিত করতে সক্ষম হই। আদালতের নির্দেশে তাদের জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।”

পুলিশ আরও জানায়, মামলার অন্য কোনো পলাতক আসামি থাকলে তাদেরও দ্রুত আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© All rights reserved © 2024 Kbtvnews24
Theme Customized By Shakil IT Park