
ডুমুরিয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে চান শিক্ষক নিত্যানন্দ মন্ডলঃ
নিতত্যানন্দ মহালদার ব্যুরোচীফঃ
আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ডুমুরিয়া উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হতে যাচ্ছেন শিক্ষক নিত্যানন্দ মন্ডল। তিনি উপজেলার ভান্ডারপাড়া ইউনিয়নের বান্দা গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত সনাতনিপরিবারের সন্তান। তিনি স্থানীয় বান্দা কলেজিয়েট স্কুলের শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন। এবারের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি হতে যাচ্ছেন সম্ভাব্য চমকপ্রদ প্রার্থী। জানা গেছে, অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত হতে পারে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। এমনই আভাস পেয়ে খুলনার ডুমুরিয়ায় ইচ্ছুক সম্ভব্য প্রার্থীরা হয়ে উঠেছেন অনেক তৎপর। সম্ভব্য প্রতিদ্ব›দ্বী প্রার্থী তারা প্রচার-প্রচারণার মাঠে ময়দানে ছুটে চলছেন অবিরাম। উপজেলা ব্যাপি বিভিন্ন এলাকায় ধেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানে দেখা যাচ্ছে সম্ভাব্য সকল প্রার্থীদের। এবারের নির্বাচনে ডুমুরিয়া উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৫/৬ জন সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে। তারমধ্যে চমকপ্রদ প্রার্থী হতে পারেন শিক্ষক নিত্যানন্দ মন্ডল। তিনি এরই মধ্যে বেশ সরব হয়ে উঠেছেন। প্রতিদিনই চালিয়ে যাচ্ছেন প্রচার-প্রচারণা। উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নেই দিনে দিনে বেড়েই চলেছে তার পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা। বিশেষ করে হিন্দু অধুষ্যিত এলাকায় তার জনপ্রিয়তা হয়ে উঠেছে অনেক তুঙ্গে। ওই জনপদের পাড়া-মহল্লায় তাকে নিয়ে যেন কৌতূহলের অন্ত নেই।
নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই হচ্ছেন তারা ঐক্যবদ্ধ। সেক্ষেত্রে আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থী নিত্যানন্দ মন্ডল অত্যন্ত আশাবাদী। এ প্রসঙ্গে তিনি কেবিটিভি নিউজ ২৪ ডটকমের সাংবাদিক নিত্যানন্দ মহালদারকে বলেন রাজনীতি বা জনপ্রতিনিধিত্ব করা এমন মনোভাব আমার কখনো ছিল না। তবে এই ডুমুরিয়ার একজন নেতা ছিলেন। তাঁর পাশে গিয়ে, তাকে দেখে শিখে, আজ আমি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমার সেই প্রিয় নেতা, প্রিয় অভিভাবক হলেন উপজেলা বিএনপি সাবেক সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ প্রায়ত চেয়ারম্যান খান আলী মুনসুর। তিনি দেখাতেন, বোঝাতেন কিভাবে মানুষকে ভালো বাসতে হয়। কিভাবে অসহায় মেহনতি মানুষের পাশে দাঁড়াতে হয়। আমি তাঁর নীতি আদর্শ অনুসরণ করি।
তিনি আমাকে বিএনপি’র রাজনীতিতে এনেছিলেন। তাঁর হাত ধরে আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র রাজনীতি করছি। তিনি আমাকে অনেক বড় অবস্থানে রেখে গেছেন। তার সহযোগিতায় আমি তিন তিন বার সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পেরেছি। এছাড়া জেলা বিএনপি’র সদস্য পদও পেয়েছিলাম তার জন্য। জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্ট আহবায়ক পদেও তার হাত ছিল। আজ তিনি আমাদের মাঝে নেই। এই ডুমুরিয়া মানুষ ও ডুমুরিয়া জনপদ নিয়ে তাঁর অনেক উন্নয়নের স্বপ্ন ছিল। আমি তাকে খুব কাছে থেকে দেখেছি, চিনেছি। তাই আমি তাঁর স্বপ্ন পূরণ করতে নির্বাচন করতে চাই। এজন্য মানুষের মাঝে নিজেকে বিলিয়ে দেওয়ার প্রত্যয়।