বটিয়াঘাটা সার্ব রেজিস্ট্রার এর কার্যালয় সঠিক দলিল নিয়ে গেলেও সার্ব রেজিস্ট্রার অনজু ঘোষ প্যাচমারে টাকা খাওয়ার জন্য আর টাকা না খেতে পারলে দিনের পর দিন ঘুরায় নাকে দড়ি দিয়ে এবং তাঁর অফিসে সরাসরি ঘুষ লেনদেন হয়।
মাসুম খুলনা জেলা প্রতিনিধিঃ
যেমন যদি একটু বললি খায়রুল ইসলাম নিজের দলিল করতে গিয়ে দুই দুই বার হয়রানির স্বীকার হয়েছে কারন সে একজন সাংবাদিক তার কাছ থেকেতো আর টাকা খেতে পারবে না তাই তাকে একটু হয়রানি করলো পর্ব-১
১। গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার একজন বালকের সর্বচ্চো বয়স না হলে তো আর জাতীয় পরিচয় পত্র ইস্যু করেনি সেখানে সার্ব
রেজিস্ট্রার অনজু ঘোষ বলে বয়স হয়নি এই জমির দলিল হবে না রীতিমতো আমার হয়রানির স্বীকার হতে হয়েছে যা দেখার কেউ নেই বটিয়াঘাটা সার্ব রেজিস্ট্রি অফিস নিয়ন্ত্রণ কারা করে তা খতিয়ে দেখা দরকার। এবং সার্ব রেজিস্ট্রার অনজু ঘোষের সকল অনিয়মের শেল্টার দাতা তারা আইজিআর এর দৃষ্টি আকর্ষণ অনজু ঘোষের মতো যদি সার্ব রেজিস্ট্রার সারা বাংলাদেশে থাকে তাহলে দেশ ধংশো হতে বেশিদিন সময় লাগবে না আমি পরবর্তীতে গোপন সূত্রে খবর পেলাম সার্ব রেজিস্ট্রার অনজু ঘোষকে বিভিন্ন দপতর থেকে ফোন করানো তে তিনি তার পরে রাগ হয়ে রীতিমতো তাকে হয়রানি করেছে। তাহলে আপনারাই বলুন সে একজন গণমাধ্যম কর্মী তার নিজের জমি দলিল করতে গিয়ে যদি এতো হয়রানির স্বীকার হতে হয় তাহলে সাধারণ মানুষের দলিল করতে গেলে কতই না হয়রানির স্বীকার হতে হয় পোস্টটি সকলে বেশি বেশি করে শেয়ার করুন।