1. admin@kbtvnews24.com : admin :
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কালীগঞ্জে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত-২ মোঃ মুক্তাদির হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার। নড়াইলের নড়াগাতীতে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে হাতকড়াসহ পালানো সেই আসামি গ্রেফতার গাজীপুরে সাংবাদিক ফাতেমা আক্তারের ওপর হামলা, গ্রেপ্তারের দাবি বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট দিরাই উপজেলা ও পৌর শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন সম্পন্ন বিপিএল সিজন ৫ এর ২য় কোয়ালিফায়ার ম্যাচ অনুষ্ঠিত খুলনা মফস্বল প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য মোঃ আরাফাত হোসেন জনি’র জন্মদিন উপলক্ষে কেককাটা অনুষ্ঠিত কালীগঞ্জ সেন্ট্রাল কলেজে নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত খুলনা মফস্বল প্রেসক্লাবের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬) দুপুরে নগরীর নবপল্লী কমিউনিটি সেন্টারে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। বটিয়াঘাটায় যুবদল নেতা বাহাদুর মুন্সির বাড়িতে গুলিবর্ষণ মামলায় সাদ্দাম হাওলাদার গ্রেফতার বটিয়াঘাটায় বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে চয়ন মন্ডলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ ধান রোপণে বাধা, নারীকে লাঠিপেটা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

কালীগঞ্জে হানাদার মুক্ত দিবস উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১১৪ বার পঠিত

কালীগঞ্জে হানাদার মুক্ত দিবস উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি

মোঃ মুক্তাদির হোসেন।
স্টাফ রিপোর্টার।

বিজয়ের মাস ডিসেম্বর মাস আজকের এই দিনে পহেলা ডিসেম্বর ১৯৭১ সালের এইদিনে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরসাদী ইউনিয়নের খলাপাড়া গ্রামে অবস্থিত ন্যাশনাল জুট মিলের ভেতর অবস্থানরত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং মুক্তিযোদ্ধে সহযোগীসহ ১০৩ জন বীর বাঙালিকে লাইনে দাঁড় করিয়ে ব্রাশ ফায়ার করে নির্মমভাবে গণহত্যা চালায় পাক-বাহিনী। আর সেই থেকে প্রতি বছর ডিসেম্বর মাসের প্রথম দিনে ওই শহীদদের স্মরণে গণহত্যা দিবস পালিত হয়। দিবসটি উপলক্ষে আজ সোমবার সকালে কালীগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরসাদী ইউনিয়নের খলাপাড়া অবস্থিত শহীদদের গণকবরে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী এ. টি. এম. কামরুল ইসলাম এর নেতৃত্বে কালীগঞ্জ উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা এবং সরকারী কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাকিয়া সরওয়ার (লিমা), প্রকৌশলী মোঃ রেজাউল হক, কৃষি অফিসার ফারজানা তাসলিম, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ, আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা ওবায়দুর রহমান, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোছাঃ নাহিদা খাতুন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শাহানাজ আক্তার, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ ইসমাইল ভূঁইয়া, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আফরোজা বেগম, সমবায় অফিসার মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ভূঁইয়া, পল্লী উন্নয়ন অফিসার ইশরাত জাহান, তথ্যসেবা কর্মকর্তা সোহা তামান্না, কালীগঞ্জ থানার এস আই কুদ্দুস, থানা কমান্ডার বীর মক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক কাজী, সহ কমান্ডার আনোয়ার উল হক (বাচ্চু), সদস্য সচিব মোহাম্মদ আলী পাঠান, বাহাদুর সাদী ইউনিয়ন আহবায়ক মনির উল হক, নূরুল ইসলাম, মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, সামসুল হক, মো. সিরাজ উদ্দিনসহ আরো বেশ কিছু বীর মুক্তিযোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, কালীগঞ্জের কর্মরত প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ, সমাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। পরে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া করা হয়। কালীগঞ্জ উপজেলা কমান্ডার বীর মক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক কাজী জানান, ১৯৭১ সালের ১ ডিসেম্বর কালীগঞ্জ ন্যাশনাল জুট মিলের শ্রমিক-কর্মচারীরা সকালের নাস্তা খেতে বসার মাঝামাঝি মুহূর্তে পশ্চিম পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী পার্শ্ববর্তী ঘোড়াশাল ক্যাম্প থেকে নদী পার হয়ে মিলের ভিতর প্রবেশ করে মুক্তিযোদ্ধাদের খুঁজতে থাকে। ওই দিন সকাল থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত ন্যাশনাল জুট মিলের নিরীহ বাঙালি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এক লাইনে দাঁড় করিয়ে গুলি করে নির্মম গণহত্যা চালায় হানাদার বাহিনী। স্থানীয়রা জানান, হানাদার বাহিনী গণহত্যা চালিয়ে দক্ষিণ দিকের দেয়াল ভেঙে মিল ত্যাগ করে। ৩/৪ দিন নিরীহ বাঙ্গালীদের মৃতদেহ মিলের সুপারী বাগানে পড়ে থাকে। পাকিস্তান বাহিনীর ভয়ে এলাকার কেউ মিলের ভেতরের মরদেহগুলো উদ্ধার করতে এগিয়ে আসতে সাহস পায়নি। ফলে মরদেহগুলো শেয়াল-শকুনের খাদ্যে পরিণত হয়। দেশ স্বাধীন হলে এলাকাবাসী মিলের ভেতর গিয়ে ১০৩ জনের মৃতদেহ বিকৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে। পরে বিকৃত ওই মৃতদেহগুলো (১০৩ জন) ন্যাশনাল জুট মিলের দক্ষিণ পাশে গণকবরে সমাহিত করা হয়। মিল কর্তৃপক্ষ গণহত্যার শিকার শহীদদের স্মৃতি রক্ষার্থে “শহীদদের স্মরণে ১৯৭১’ নামে একটি শহীদ মিনার নির্মাণ করেন। শহীদদের গণকবরের পাশে পরবর্তীতে একটি পাকা মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী এ. টি. এম. কামরুল ইসলাম বলেন প্রতি বছর এর ন্যায় আজ পহেলা ডিসেম্বর সকালে ১০৩ জন শহীদের গণকবরে উপজেলা প্রশাসন, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন এবং স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদেরকে নিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করি। আমার মনে হল ১০৩ জনের জন্য এই গণকবরের জায়গাটুকু সংকীর্ণ, উপজেলা প্রশাসন এর মাধ্যমে এটা কে আরো সৌন্দর্য বর্ধন করার চেষ্টা করব।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© All rights reserved © 2024 Kbtvnews24
Theme Customized By Shakil IT Park